এইচএসসি জীববিজ্ঞান ২য় পত্র : প্রাণীবিজ্ঞান
অধ্যায় ২: হাইড্রা (Hydra)
|
📌 বিষয় নির্দেশিকা: |
|
প্রশ্ন ১ │ [জ্ঞানমূলক / ঢাকা বোর্ড] |
উত্তর:
শ্রেণীবিন্যাসগত অবস্থান: হাইড্রা নিডারিয়া (Nidaria) পর্বের প্রাণী।
প্রধান দেহাংশ: হাইড্রার দেহনালী বা প্রধান দেহাংশ ডিপ্লোব্লাস্টিক (দ্বিস্তর বিশিষ্ট) দেহপ্রাচীর দিয়ে গঠিত, যা বাইরের এপিডার্মিস এবং ভিতরের গ্যাস্ট্রোডার্মিস স্তর দিয়ে তৈরি।
সিলেন্টারন (Coelenteron): হাইড্রার দেহাভ্যন্তরে মেসোগ্লিয়া দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা আবৃত একটি ফাঁপা গহ্বর থাকে, যাকে সিলেন্টারন বা গ্যাস্ট্রোডার্মাল গহ্বর বলা হয়। এটি পরিপাক ও সংবহন উভয় কাজ সম্পন্ন করে।
|
প্রশ্ন ২ │ [ঢাকা বোর্ড ২০২১, রাজশাহী বোর্ড ২০২০] |
উত্তর:
সংজ্ঞা: হাইড্রার এপিডার্মিসে (বহিঃত্বকে) অবস্থিত বিশেষায়িত, গোল বা ডিম্বাকার কোষ যা আত্মরক্ষা, খাদ্য গ্রহণ, শিকার অবশ করা এবং চলনে অংশ নেয়, তাকে নিডোসাইট বলে।
অবস্থান: নিডোসাইট কোষ হাইড্রার বহিঃত্বকের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকলেও কর্ষিকায় (Tentacles) সবচেয়ে বেশি ঘনত্বে অবস্থান করে ব্যাটারির মতো গুচ্ছাকারে থাকে, যাকে 'নেমাতোসিস্ট ব্যাটারি' বলে। পাদচাকতিতে এটি অনুপস্থিত থাকে।
|
প্রশ্ন ৩ │ [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯] |
উত্তর:
সংজ্ঞা: নিডোসাইট কোষের অভ্যন্তরে অবস্থিত কাইটিননির্মিত, হিপনোটক্সিন বিষে ভরা এবং পেঁচানো সূত্রকযুক্ত থলি সদৃশ অঙ্গাণুকে নেমাতোসিস্ট বলে।
প্রকারভেদ: হাইড্রাতে ৪ ধরনের নেমাতোসিস্ট পাওয়া যায়:
১. স্টিটোনোটিল বা পেনিত্রান্ত (Stenotele / Penetrant): সবচেয়ে বড় আকারের নেমাতোসিস্ট। এর সূত্রকটি লম্বা, ফাঁপা এবং গোড়ায় ৩টি
বড় বার্ব (Barb) ও সারি সারি
বারবিউল (Barbiule) থাকে। এতে প্রোটিন ও ফেনল
নির্মিত বিষাক্ত 'হিপনোটক্সিন' থাকে
যা শিকারকে অবশ করে।
২. ভলভেন্ট (Volvent / Desmoneme): আকারে ছোট ও ডিম্বাকার। সূত্রকটি খাটো, নিরেট, কাঁটাবিহীন এবং বন্ধ। এটি
শিকারের উপাঙ্গকে স্প্রিংয়ের মতো পেঁচিয়ে ধরে
রাখতে সাহায্য করে।
৩. স্ট্রেপ্টোলিন গ্লুটিন্যান্ট (Streptoline glutinant /
Holotrichous isorhiza): সূত্রকটি লম্বা, ফাঁপা, উন্মুক্ত এবং সর্বাংশে ছোট
ছোট কাঁটাযুক্ত।
এটি আঠালো রস ক্ষরণ করে
শিকারকে আটকে রাখতে সাহায্য করে।
৪. স্টিরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট (Stereoline glutinant / Atrichous isorhiza): ক্ষুদ্রতম নেমাতোসিস্ট। এর সূত্রকটি কাঁটাবিহীন,
নিরেট ও উন্মুক্ত। এটি আঠালো রস
নিঃসৃত করে চলনে সহায়তা করে।
|
প্রশ্ন ৪ │ [বরিশাল বোর্ড ২০২২, যশোর বোর্ড ২০২১] |
উত্তর:
সংজ্ঞা ও গঠন: হাইড্রার বহিঃত্বক (এপিডার্মিস) এবং অন্তঃত্বক (গ্যাস্ট্রোডার্মিস)-এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত আঠালো, স্বচ্ছ, জেলির মতো অকোষীয় স্তরকে মেসোগ্লিয়া বলে। এটি প্রায় ০.১ মাইক্রোমিটার পুরু।
কাজ:
• এটি বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের কোষগুলোকে পরস্পরের সাথে
সংযুক্ত রাখতে নমনীয় কঙ্কাল (Elastic skeleton) হিসেবে কাজ করে।
• স্নায়ুকোষের জালিকা ধারণ করে উদ্দীপনা পরিবহনে সাহায্য করে।
• হাইড্রার দেহের সংকোচন-প্রসারণের পর
পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে সহায়তা করে।
|
প্রশ্ন ৫ │ [সিলেট বোর্ড ২০২৩, কুমিল্লা বোর্ড ২০২২] |
উত্তর:
দ্বিস্তরীয় প্রাণীর সংজ্ঞা: ভ্রূণীয় পরিবর্ধনের সময় যেসকল প্রাণীর দেহে বাইরের এক্টোডার্ম (Ectoderm) এবং ভেতরের এন্ডোডার্ম (Endoderm) নামক দুটি মাত্র প্রাথমিক কোষীয় স্তর থাকে, তাদের ডিপ্লোব্লাস্টিক বা দ্বিস্তরীয় প্রাণী বলে।
হাইড্রাকে দ্বিস্তরীয় বলার কারণ: হাইড্রার দেহপ্রাচীর কেবল দুটি প্রধান কোষীয় স্তর নিয়ে গঠিত। বাইরের স্তরকে বহিঃত্বক বা এপিডার্মিস (যা ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম থেকে সৃষ্ট) এবং ভেতরের স্তরকে অন্তঃত্বক বা গ্যাস্ট্রোডার্মিস (যা ভ্রূণীয় এন্ডোডার্ম থেকে সৃষ্ট) বলা হয়। এ দুটি কোষীয় স্তরের মাঝখানে কোনো মেসোডার্ম না থেকে অকোষীয় মেসোগ্লিয়া থাকে। তাই হাইড্রাকে দ্বিস্তরীয় প্রাণী বলা হয়।
|
প্রশ্ন ৬ │ [ঢাকা বোর্ড ২০২২, সিলেট বোর্ড ২০২১] |
উত্তর:
সংজ্ঞা: হাইড্রার দেহাভ্যন্তরে মেসোগ্লিয়া সংলগ্ন গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা আবৃত একক কেন্দ্রীয় ফাঁপা গহ্বরকে সিলেন্টারন বলে।
গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বলার কারণ: উচ্চশ্রেণীর প্রাণীদের খাদ্য পরিপাকের জন্য পরিপাকতন্ত্র (Gastric system) এবং পুষ্টি ও বর্জ্য পরিবহনের জন্য সংবহনতন্ত্র (Vascular system) পৃথক থাকে। কিন্তু হাইড্রার ক্ষেত্রে একই সিলেন্টারন গহ্বর খাদ্যের বহিঃকোষীয় পরিপাক (Gastric function) সম্পন্ন করে এবং পরিপাককৃত সারবস্তু ও গ্যাসীয় পদার্থ দেহের বিভিন্ন কোষে বণ্টন বা সংবহন (Vascular function) করে। পরিপাক ও সংবহন উভয় কাজ একক গহ্বরে সম্পন্ন হওয়ার কারণে সিলেন্টারনকে 'গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর' (Gastrovascular cavity) বলা হয়।
|
প্রশ্ন ৭ │ [রাজশাহী বোর্ড ২০২৩, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২] |
উত্তর:
এপিডার্মিসের ৭টি কোষের ভূমিকা:
১. পেশি-আবরণী কোষ (Musculo-epithelial
cells): দেহকে আবৃত রাখে এবং দেহের সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে।
২. ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ (Interstitial cells): টোটিপোটেন্ট কোষ, যা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য
যে কোনো কোষে রূপান্তরিত হতে
এবং পুনরুৎপত্তিতে ভূমিকা রাখে।
৩. সংবেদী কোষ (Sensory cells): পরিবেশ থেকে
আলো, তাপ, স্পর্শ ইত্যাদি উদ্দীপনা গ্রহণ করে।
৪. স্নায়ু কোষ (Nerve cells): সংবেদী কোষের গৃহীত উদ্দীপনা দেহে
পরিবহন করে।
৫. গ্রন্থি কোষ (Gland cells): আঠালো রস
নিঃসরণ করে ভিত্তির সাথে আটকে
থাকতে ও খাদ্য গিলতে সাহায্য করে।
৬. জনন কোষ (Germ cells): পুরুষ অঙ্গ
থেকে শুক্রাণু এবং স্ত্রী অঙ্গ
থেকে ডিম্বাণু তৈরি করে।
৭. নিডোসাইট (Nidocyte): আত্মরক্ষা, খাদ্য গ্রহণ এবং
চলনে সহায়তা করে।
|
প্রশ্ন ৮ │ [যশোর বোর্ড ২০২৩, দিনাজপুর বোর্ড ২০২১] |
উত্তর:
সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য: হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের মেসোগ্লিয়া সংলগ্ন স্থানে অবস্থিত ছোট, গোল বা ত্রিভুজাকার, স্পষ্ট নিউক্লিয়াস ও রাইবোসোম সমৃদ্ধ অনির্দিষ্ট কোষকে ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ বলে।
টোটিপোটেন্ট বলার কারণ: 'টোটিপোটেন্সি' (Totipotency) হলো এমন এক জৈবিক ক্ষমতা যার মাধ্যমে একটি কোষ বিভাজিত ও রূপান্তরিত হয়ে জীবদেহের যেকোনো প্রকার কোষে পরিণত হতে পারে। হাইড্রার ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ প্রয়োজন অনুযায়ী পেশি-আবরণী, নিডোসাইট, সংবেদী বা জনন কোষে রূপান্তরিত হতে পারে। হাইড্রার অঙ্গহানি হলে বা ক্ষত সৃষ্টি হলে এই কোষ থেকেই নতুন অঙ্গ পুনর্গঠিত (Regeneration) হয়। যেকোনো কোষে পরিণত হওয়ার এই বহুমুখী ক্ষমতার জন্যই ইন্টারস্টিশিয়াল কোষকে 'টোটিপোটেন্ট কোষ' বলা হয়।
|
প্রশ্ন ৯ │ [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২, ঢাকা বোর্ড ২০১৯] |
উত্তর:
খাদ্যাভ্যাস: হাইড্রা একটি মাংসাশী (Carnivorous) প্রাণী। এরা পানিতে বসবাসকারী ক্ষুদ্র সন্ধিপদী প্রাণী (যেমন- ডাফনিয়া, সাইক্লপস), পতঙ্গের লার্ভা, কৃমি ও ছোট মাছের পোনা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
শিকার গ্রাস পদ্ধতি:
১. শিকারের উপস্থিতি সংবেদী লোমে
উদ্দীপনা সৃষ্টি করলে কর্ষিকা প্রসারিত হয়।
২. স্টিটোনোটিল নেমাতোসিস্ট বিষাক্ত হিপনোটক্সিন ইনজেক্ট করে
শিকারকে অবশ ও নিস্তেজ করে
দেয়।
৩. ভলভেন্ট নেমাতোসিস্ট শিকারের রোম
ও উপাঙ্গ স্প্রিংয়ের মতো পেঁচিয়ে ধরে
এবং গ্লুটিন্যান্ট আঠালো রস নিঃসৃত করে
আটকে ফেলে।
৪. এরপর কর্ষিকাগুলো গুটিয়ে শিকারকে মুখের দিকে
নিয়ে আসে। মুখছিদ্র উন্মুক্ত হয়ে খাদ্য সিলেন্টারনে প্রবেশ করে।
|
প্রশ্ন ১০ │ [কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩, বরিশাল বোর্ড ২০২১] |
উত্তর:
পরিপাক প্রক্রিয়া: হাইড্রাতে দু'ধাপে পরিপাক সম্পন্ন হয়—বহিঃকোষীয় (Extracellular) ও অন্তঃকোষীয় (Intracellular)।
পার্থক্য তালিকা: (নিম্নে টেবিল আকারে দেখানো হলো)
|
বিষয় |
বহিঃকোষীয় পরিপাক (Extracellular) |
অন্তঃকোষীয় পরিপাক (Intracellular) |
|
সংঘটন স্থান |
সিলেন্টারন (Coelenteron) গহ্বরে। |
গ্যাস্ট্রোডার্মিসের পুষ্টি কোষের ভেতরে। |
|
প্রক্রিয়া |
গ্রন্থিকোশ থেকে নিঃসৃত এনজাইমের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া। |
ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে খাদ্য কণা গ্রহণ ও পরিপাক। |
|
খাদ্যের অবস্থা |
গোটা শিকার ভেঙে পেপটোনে রূপান্তরিত হয়। |
আংশিক পরিপাককৃত খাদ্য সম্পূর্ণ পরিপাক হয়। |
|
খাদ্যগহ্বর |
কোনো খাদ্যগহ্বর (Food vacuole) তৈরি হয় না। |
কোষের ভেতরে খাদ্যগহ্বর তৈরি হয়। |
|
প্রশ্ন ১১ │ [ঢাকা বোর্ড ২০২৩, সিলেট বোর্ড ২০২২] |
উত্তর:
লুপিং চলনের পরিচয়: সাধারণ দূরত্ব অতিক্রমের জন্য হাইড্রা যে হামাগুড়ি চলন পদ্ধতি ব্যবহার করে তাকে লুপিং বলে। এটি পোকার (Measuring worm) চলাচলের মতো।
ধাপসমূহ:
১. প্রথমে হাইড্রা গতির অভিমুখে দেহকে প্রসারিত ও
বাঁকা করে কর্ষিকার মাধ্যমে ভিত্তিকে স্পর্শ করে।
২. কর্ষিকার গ্লুটিন্যান্ট নেমাতোসিস্ট আঠালো রস
ক্ষরণ করে ভিত্তিকে শক্ত করে
ধরে।
৩. এরপর পাদচাকতিকে মুক্ত করে
এনে কর্ষিকার কাছাকাছি স্থাপন করে, ফলে দেহে একটি লুপ
(Loop) বা ফাঁশ তৈরি হয়।
৪. পরবর্তীতে কর্ষিকা মুক্ত করে
দেহকে সোজা করে দাঁড় করায়।
এভাবে একের পর এক লুপ
তৈরি করে হাইড্রা ধীরে ধীরে
সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
|
প্রশ্ন ১২ │ [রাজশাহী বোর্ড ২০২৩, যশোর বোর্ড ২০২২] |
উত্তর:
সোমারসল্টিং চলন: এটি হাইড্রার সবচেয়ে সাধারণ ও দ্রুতগতির চলন পদ্ধতি, যা উপুড় হয়ে ডিগবাজি দেওয়ার মতো ঘটে।
ধাপসমূহ:
১. হাইড্রা দেহকে বাঁকিয়ে কর্ষিকা দিয়ে
ভিত্তিকে আঁকড়ে ধরে।
২. পাদচাকতি মুক্ত হয়ে মাথার ওপর
দিয়ে ঘুরে গিয়ে গতির অভিমুখে কর্ষিকার সামনে স্থাপিত হয় (হাইড্রা সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে
দাঁড়ায়)।
৩. এবার পাদচাকতির ওপর ভর
দিয়ে কর্ষিকা মুক্ত করে দেহকে সোজা
করে তুলে ধরে।
দ্রুততম চলনের কারণ: প্রতিটি সোমারসল্টিং চক্রে হাইড্রা দুটি লুপ তৈরি করে এবং উল্টে গিয়ে নিজের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ দূরত্ব একবারেই অতিক্রম করে। তাই এটি লুপিংয়ের চেয়ে অনেক দ্রুতগতির চলন।
|
প্রশ্ন ১৩ │ [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩] |
উত্তর:
পুনরুৎপত্তির সংজ্ঞা: হাইড্রার দেহের কোনো অংশ কেটে বিচ্ছিন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের দ্রুত বিভাজন ও রূপান্তরের মাধ্যমে পুনরায় হারিয়ে যাওয়া অঙ্গটি গঠন করে পূর্ণাঙ্গ হাইড্রায় পরিণত হওয়াকে পুনরুৎপত্তি (Regeneration) বলে।
ট্রেম্বলের পরীক্ষা (১৭৪৪): বিজ্ঞানী আব্রাহাম ট্রেম্বলে (Abraham Trembley) ১৭৪৪ সালে প্রথম হাইড্রার বিস্ময়কর পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা আবিষ্কার করেন। তিনি একটি হাইড্রাকে লম্বালম্বি বা আড়াআড়িভাবে কয়েকটি টুকরো করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে, ন্যূনতম কিছু ইন্টারস্টিশিয়াল কোষযুক্ত প্রতিটি টুকরো থেকেই কয়েক দিনের মধ্যে একটি করে সম্পূর্ণ নতুন হাইড্রা পুনর্গঠিত হয়েছে। এজন্য হাইড্রাকে 'অমর প্রাণী' বলা হয়।
|
প্রশ্ন ১৪ │ [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩, ঢাকা বোর্ড ২০২০] |
উত্তর:
সংজ্ঞা: পর্যাপ্ত অনুকূল পরিবেশে মাতৃ-হাইড্রার দেহ থেকে উপবৃদ্ধি বা মুকুল (Bud) সৃষ্টির মাধ্যমে যে অংগজ জনন সম্পন্ন হয় তাকে মুকুলোদ্গম বলে। এটি হাইড্রার প্রধান স্বাভাবিক জনন পদ্ধতি।
সময় ও প্রক্রিয়া:
• সময়: পর্যাপ্ত খাদ্য ও অনুকূল তাপমাত্রা থাকলে (বিশেষ করে গ্রীষ্ম ও
শরৎকালে) মুকুলোদ্গম ঘটে।
• প্রক্রিয়া: মাতৃদেহের নিম্নংশের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে
স্ফীত মুকুল তৈরি করে। মুকুলের ভেতরে সিলেন্টারন প্রসারিত হয়। পরবর্তীতে মুকুলের দূরবর্তী প্রান্তে হাইপোস্টোম,
মুখছিদ্র ও কর্ষিকা সৃষ্টি হয়। শেষে
মাতৃহাইড্রা ও মুকুলের সংযোগস্থলে খাঁজ
তৈরি হয়ে এটি বিচ্ছিন্ন হয়
এবং স্বাধীন জীবন শুরু করে।
|
প্রশ্ন ১৫ │ [কুমিল্লা বোর্ড ২০২১, বরিশাল বোর্ড ২০২৩] |
উত্তর:
পটভূমি: প্রতিকূল পরিবেশে (শরৎ ও শীতকালের শুরুতে খাদ্য সংকট হলে) হাইড্রায় অস্থায়ী জননাঙ্গ সৃষ্টির মাধ্যমে যৌন জনন ঘটে।
ধাপসমূহ:
১. জননাঙ্গ সৃষ্টি: দেহের উপরের অর্ধাংশে এক
বা একাধিক মোচাকৃতির 'শুক্রাশয়'
(Testis) এবং নিচের অর্ধাংশে গোলকাকার 'ডিম্বাশয়'
(Ovary) গঠিত হয়।
২. নিষেক (Fertilization): শুক্রাশয় থেকে নিসৃত সচল
শুক্রাণু সাঁতার কেটে ডিম্বাশয়ের মুক্ত ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে 'জাইগোট' গঠন করে।
৩. পরিস্ফুটন ও হাইড্রুলা: জাইগোটের চারপাশে প্রতিরক্ষামূলক কাইটিনযুক্ত
'সিস্ট' (Cyst) গঠিত হয়। অনুকূল পরিবেশে সিস্ট ফেটে
শিশু হাইড্রা বা 'হাইড্রুলা'
(Hydrula) নির্গত হয়ে
স্বাধীনভাবে বাঁচতে শুরু করে।
|
প্রশ্ন ১৬ │ [রাজশাহী বোর্ড ২০২১, সিলেট বোর্ড ২০২০] |
উত্তর:
হাইপোস্টোম (Hypostome):
• গঠন: হাইড্রার মুক্ত দূরবর্তী প্রান্তে অবস্থিত মোচাকৃতির,
সংকোচন-প্রসারণশীল অংশ। এর চূড়ায় বৃত্তাকার
'মুখছিদ্র' অবস্থিত।
• কাজ: খাদ্য গ্রহণ এবং অপাচ্য বর্জ্য নিষ্কাশন মুখছিদ্রের মাধ্যমে ঘটায়।
কর্ষিকা (Tentacles):
• গঠন: হাইপোস্টোমের গোড়া ঘিরে ৬ থেকে
১০টি সরু, ফাঁপা, লম্বা সুতার মতো
প্রবর্ধক থাকে। কর্ষিকার বহিঃত্বকে প্রচুর নিডোসাইট কোষ
গুচ্ছাকারে থাকে।
• কাজ: শিকার ধরা, আত্মরক্ষা এবং
চলনে প্রধান অঙ্গ হিসেবে কাজ
করে।
|
প্রশ্ন ১৭ │ [ঢাকা বোর্ড ২০২২, চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩] |
উত্তর:
মিথোজীবিতা: দুটি ভিন্ন প্রজাতির জীব যখন একত্রে বসবাস করে এবং পরস্পরের দ্বারা উপকৃত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে মিথোজীবিতা (Symbiosis) বলে।
সবুজ হাইড্রা ও এককোষী শৈবালের সম্পর্ক: সবুজ
হাইড্রা (*Hydra
viridissima*) এবং
এর গ্যাস্ট্রোডার্মিসের কোষে বসবাসকারী এককোষী সবুজ
শৈবাল
(*Zoochlorella*)-এর
মধ্যে সুদৃঢ় মিথোজীবী সম্পর্ক বিদ্যমান:
• শৈবালের উপকার: (১) হাইড্রার গ্যাস্ট্রোডার্মিস কোষে
নিরাপদে আশ্রয় পায়। (২) হাইড্রার শসনে
সৃষ্ট CO₂ ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ করে। (৩) হাইড্রার রেচন বর্জ্য (নাইট্রোজেনাস উপাদান) গ্রহণ করে।
• হাইড্রার উপকার: (১) শৈবালের সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত
O₂ হাইড্রা শসনে ব্যবহার করে। (২) শৈবাল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত শর্করা খাদ্য হিসেবে হাইড্রা গ্রহণ করে।
(৩) শৈবাল হাইড্রার বর্জ্য গ্রহণ করে
দেহ পরিষ্কার রাখে।
|
প্রশ্ন ১৮ │ [যশোর বোর্ড ২০২০, দিনাজপুর বোর্ড ২০২২] |
উত্তর:
বিশেষ অঙ্গের অনুপস্থিতি: হাইড্রার দেহে আলাদা কোনো শ্বসনতন্ত্র (Respiratory system) বা রেচনতন্ত্র (Excretory system) নেই।
প্রক্রিয়া: হাইড্রার দেহপ্রাচীর মাত্র দুটি
কোষীয় স্তর দিয়ে গঠিত এবং
এর প্রতিটি কোষ সরাসরি বাহিরের পানি
অথবা সিলেন্টারনের পানির সংস্পর্শে থাকে।
• শ্বসন: ত্বকের মাধ্যমে 'ব্যাপন'
(Diffusion) প্রক্রিয়ায় সরাসরি পানি
থেকে দ্রবীভূত অক্সিজেন (O₂) কোষে প্রবেশ করে
এবং কোষের কার্বন ডাই অক্সাইড
(CO₂) পানিতে মুক্ত হয়।
• রেচন: কোষের বিপাকীয় নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ (প্রধানত অ্যামোনিয়া) ব্যাপন প্রক্রিয়ায় সরাসরি বাইরের পানি
এবং সিলেন্টারনের পানিতে নিষ্কাশিত হয়।
|
প্রশ্ন ১৯ │ [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১, সিলেট বোর্ড ২০২৩] |
উত্তর:
গ্যাস্ট্রোডার্মিসের ৫টি কোষের পরিচিতি:
১. পুষ্টি-পেশি কোষ (Nutritive-muscular cells): এগুলোতে ফ্ল্যাজেলা ও
ক্ষণপদ থাকে। ফ্ল্যাজেলা খাদ্য চর্বণ করে
এবং ক্ষণপদ ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে খাদ্য গিলে
অন্তঃকোষীয় পরিপাক ঘটায়।
২. গ্রন্থি কোষ (Gland cells): পরিপাককারী এনজাইম (যেমন- প্রোটিনেজ) এবং
মিউকাস ক্ষরণ করে খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
৩. ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ (Interstitial cells): গ্যাস্ট্রোডার্মিসের যেকোনো কোষের ক্ষয়পূরণ ও
নতুন কোষ সৃষ্টিতে অংশ নেয়।
৪. সংবেদী কোষ (Sensory cells): সিলেন্টারনে খাদ্যের গুণাগুণ ও
রাসায়নিক অনুভূতি গ্রহণ করে।
৫. স্নায়ু কোষ (Nerve cells): মেসোগ্লিয়ার সাথে
লেগে থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ ও
পরিবহন করে।
|
প্রশ্ন ২০ │ [ঢাকা বোর্ড ২০২১, কুমিল্লা বোর্ড ২০২০] |
উত্তর:
পার্থক্য তালিকা: (নিম্নে তুলনামূলক টেবিল প্রদান করা হলো)
|
তুলনার বিষয় |
লুপিং (Looping) |
সোমারসল্টিং (Somersaulting) |
|
চলন কৌশল |
ইঞ্চি পোকার মতো হামাগুড়ি দিয়ে অগ্রসর হয়। |
উপুড় হয়ে ডিগবাজি দেওয়ার মতো অগ্রসর হয়। |
|
লুপ সংখ্যা |
প্রতিটি ধাপে কেবল ১টি লুপ বা ফাঁশ তৈরি হয়। |
একক চক্রে পরপর ২টি লুপ তৈরি হয়। |
|
উল্টানো অবস্থান |
হাইড্রার দেহ কখনোই উল্টো হয়ে দাঁড়ায় না। |
চলনকালে হাইড্রা সাময়িকভাবে কর্ষিকার ওপর উল্টো হয়ে দাঁড়ায়। |
|
গতির প্রকৃতি |
এটি অত্যন্ত ধীরগতির চলন পদ্ধতি। |
এটি হাইড্রার দ্রুততম চলন পদ্ধতি। |
|
অতিক্রান্ত দূরত্ব |
কম দূরত্ব অতিক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। |
দীর্ঘ ও সাধারণ দূরত্ব অতিক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। |
|
📌 'ক' বিভাগ (জ্ঞানমূলক প্রশ্ন) উত্তর করার বিশেষ নির্দেশিকা: |
|
প্রশ্ন ১. হাইড্রার বৈজ্ঞানিক নাম কী? |
|
প্রশ্ন ২. হাইড্রা কোন পর্বের (Phylum) প্রাণী? |
|
প্রশ্ন ৩. 'Hydra'
নামটি কে প্রথম প্রস্তাব করেন? |
|
প্রশ্ন ৪. হাইড্রার অঙ্গ পুনরুৎপত্তি
(Regeneration) ক্ষমতা কে প্রথম আবিষ্কার করেন? |
|
প্রশ্ন ৫. হাইড্রার শারীরিক প্রতিসাম্যতা
(Symmetry) কেমন? |
|
প্রশ্ন ৬. হাইড্রার দেহ প্রধানত কয়টি অংশে বিভক্ত? |
|
প্রশ্ন ৭. হাইড্রার মুখছিদ্র কোথায় অবস্থিত? |
|
প্রশ্ন ৮. হাইড্রার কর্ষিকার (Tentacles) সংখ্যা কয়টি? |
|
প্রশ্ন ৯. সিলেন্টরন (Coelenteron) কী? |
|
প্রশ্ন ১০. মেসোগ্লিয়া
(Mesoglea) কী? |
|
প্রশ্ন ১১. মেসোগ্লিয়ার পুরুত্ব কত? |
|
প্রশ্ন ১২. নিডোসাইট (Cnidocyte) কোষ কী? |
|
প্রশ্ন ১৩. নেমাটোসিস্ট
(Nematocyst) কী? |
|
প্রশ্ন ১৪. হিপনোটক্সিন
(Hypnotoxin) কীসের মিশ্রণে গঠিত? |
|
প্রশ্ন ১৫. হাইড্রায় কত ধরনের নেমাটোসিস্ট পাওয়া যায়? |
|
প্রশ্ন ১৬. হাইড্রার সর্ববৃহৎ নেমাটোসিস্টের নাম কী? |
|
প্রশ্ন ১৭. কোন নেমাটোসিস্টে হিপনোটক্সিন থাকে? |
|
প্রশ্ন ১৮. ভলভেন্ট (Volvent) নেমাটোসিস্টের অপর নাম কী? |
|
প্রশ্ন ১৯. আঠালো রস নিঃসৃত করে শিকার বা সাবস্ট্রেটামে আটকে রাখতে সাহায্য করে কোন নেমাটোসিস্ট? |
|
প্রশ্ন ২০. নিডোসিল (Cnidocil) কী? |
|
প্রশ্ন ২১. হাইড্রার প্রধান অলৈঙ্গিক জনন পদ্ধতির নাম কী? |
|
প্রশ্ন ২২. কোন কোষের কারণে হাইড্রার অঙ্গ পুনরুৎপত্তি ঘটে? |
|
প্রশ্ন ২৩. ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের গড় ব্যাস কত? |
|
প্রশ্ন ২৪. টোটিপোটেন্সি
(Totipotency) কী? |
|
প্রশ্ন ২৫. হাইড্রার দ্রুততম চলন পদ্ধতির নাম কী? |
|
প্রশ্ন ২৬. সাধারণ দূরত্বের জন্য হাইড্রার প্রধান চলন পদ্ধতির নাম কী? |
|
প্রশ্ন ২৭. হাইড্রার খাদ্য পরিপাক প্রথমে কোথায় শুরু হয়? |
|
প্রশ্ন ২৮. হাইড্রার খাদ্য গ্রহণের প্রধান অঙ্গ কোনটি? |
|
প্রশ্ন ২৯. সবুজ হাইড্রার বৈজ্ঞানিক নাম কী? |
|
প্রশ্ন ৩০. হাইড্রার সাথে মিথোজীবিতা প্রদর্শনকারী শৈবালের নাম কী? |
|
প্রশ্ন ৩১. মিথোজীবিতা (Symbiosis) কী? |
|
প্রশ্ন ৩২. হাইড্রার সংবেদী কোষের কাজ কী? |
|
প্রশ্ন ৩৩. হাইড্রার স্নায়ুতন্ত্র কোন প্রকৃতির? |
|
প্রশ্ন ৩৪. হাইড্রার পদচাকতি থেকে নিঃসৃত কসের কাজ কী? |
|
প্রশ্ন ৩৫. হাইড্রার দেহে কোনো পৃথক শ্বসন বা রেচন অঙ্গ আছে কি? |
|
প্রশ্ন ৩৬. হাইড্রার প্রধান রেচন বর্জ্য পদার্থ কোনটি? |
|
প্রশ্ন ৩৭. হাইড্রায় কয়টি প্রাথমিক ভ্রূণীয় কোষস্তর থাকে? |
|
প্রশ্ন ৩৮. গ্যাস্ট্রোডার্মিসের পুষ্টি কোষে কোন দুই ধরনের গঠন দেখা যায়? |
|
প্রশ্ন ৩৯. সিস্ট (Cyst) কী? |
|
প্রশ্ন ৪০. গ্যাস্ট্রোডার্মিসের কোন কোষ এনজাইম ও মিউকাস নিঃসৃত করে? |
|
📌 'খ' বিভাগ (অনুধাবনমূলক প্রশ্ন) উত্তর করার বিশেষ নির্দেশিকা: |
|
প্রশ্ন
১. হাইড্রাকে দ্বিস্তরী বা ডাইপ্লব্লাস্টিক প্রাণী বলা হয় কেন? |
|
প্রশ্ন
২. সিলেন্টরনকে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বলা হয় কেন? |
|
প্রশ্ন
৩. মেসোগ্লিয়ার বৈশিষ্ট্য ও শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
৪. ইন্টারস্টিশিয়াল কোষকে 'টোটিপোটেন্ট' বা 'রিজার্ভ সেল' বলা হয় কেন? |
|
প্রশ্ন
৫. হাইড্রাকে কেন অবিনশ্বর বা 'অমর প্রাণী' বলা হয়? |
|
প্রশ্ন
৬. হিপনোটক্সিন কী এবং এটি কীভাবে শিকারকে অবশ করে? |
|
প্রশ্ন
৭. সমাসল্টিং বা ডিগবাজি চলন প্রক্রিয়াটি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
৮. গ্লাইডিং বা অ্যামিবয়েড চলন বলতে কী বোঝায়? |
|
প্রশ্ন
৯. সমাসল্টিং ও লুপিং চলনের মধ্যে প্রধান শারীরবৃত্তীয় পার্থক্যসমূহ লেখো। |
|
প্রশ্ন
১০. নিডোসাইট এবং নেমাটোসিস্টের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যসমূহ ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
১১. হাইড্রায় দৃষ্ট ৪ ধরনের নেমাটোসিস্টের গঠন ও কাজ সংক্ষেপে বর্ণনা করো। |
|
প্রশ্ন
১২. স্টিনোটিল বা পেনিট্র্যান্ট নেমাটোসিস্টের গঠন ও কার্যপদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
১৩. হাইড্রার মুকুলোদ্গম (Budding) প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হয়? |
|
প্রশ্ন
১৪. হাইড্রার বহিঃকোষীয় ও অন্তঃকোষীয় পরিপাকের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। |
|
প্রশ্ন
১৫. সবুজ হাইড্রা ও জুক্লোরেলার মিথোজীবিতা (Symbiosis) সম্পর্কটি ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
১৬. হাইড্রার পেশি-আবরণী কোষের দ্বিমুখী ভূমিকা ও গুরুত্ব বর্ণনা করো। |
|
প্রশ্ন
১৭. হাইড্রা কখন এবং কেন লৈঙ্গিক জননের দিকে ধাবিত হয়? |
|
প্রশ্ন
১৮. হাইড্রার পৃথক শ্বসন ও রেচন অঙ্গ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন হয়? |
|
প্রশ্ন
১৯. শিকার গ্রহণে কর্ষিকা ও নিডোসাইট কোষের যৌথ ভূমিকা আলোচনা করো। |
|
প্রশ্ন
২০. নিডোসিল কীভাবে উদ্দীপনা গ্রহণ করে নেমাটোসিস্ট নিক্ষিপ্ত করে? |
|
প্রশ্ন
২১. হাইড্রা কীভাবে পরিবেশগত উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে আত্মরক্ষা করে? |
|
প্রশ্ন
২২. হাইড্রার স্নায়ুজালিকা (Nerve net) কীভাবে উদ্দীপনা পরিবহন করে? |
|
প্রশ্ন
২৩. হাইড্রাকে অরীয় প্রতিসম (Radially
symmetrical) প্রাণী
বলা
হয়
কেন? |
|
প্রশ্ন
২৪. হাইড্রার অঙ্গ পুনরুৎপত্তি বা রিজেনারেশন (Regeneration) ক্ষমতা ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
২৫. প্রতিকূল পরিবেশে হাইড্রার ভ্রূণে সিস্ট (Cyst) গঠনের তাৎপর্য কী? |
|
প্রশ্ন
২৬. মেসোডার্মের অনুপস্থিতিতে মেসোগ্লিয়া কীভাবে কঙ্কাল ও পরিবাহী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে? |
|
প্রশ্ন
২৭. হাইড্রার খাদ্য পরিপাকে ক্ষণপদীয় এবং ফ্ল্যাজেলীয় কোষের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো। |
|
প্রশ্ন
২৮. পানির শুষ্কতা বা খরা মৌসুমে হাইড্রা কীভাবে জীবন রক্ষা করে? |
|
প্রশ্ন
২৯. হাইড্রার জননাঙ্গ (শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয়) গঠনের প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো। |
|
প্রশ্ন
৩০. হাইড্রার গ্যাস্ট্রোডার্মিসে বিদ্যমান কোষসমূহের প্রকারভেদ ও প্রধান কাজসমূহ আলোচনা করো। |